Tue. Feb 3rd, 2026
gay meeting
imax camera

জানলে অবাক হবেন পাঠান মুভিটি যে ক্যামেরা দিয়ে শুটিং হয়েছে সেই ক্যামেরা ভাড়া প্রতিদিন ৩ লক্ষ টাকা করে। এই ক্যামেরার দাম এত পরিমাণে যে এই ক্যামেরার কেনার সামর্থ ভারতের কারোরই নেই। আর এই ক্যামেরার নাম হচ্ছে আইম্যাক্স ক্যামেরা। সারা পৃথিবীব্যাপী মাত্র ২৬ টি ক্যামেরা রয়েছে আইম্যাক্সের। অত্যাধিক দামের কারণে এই ক্যামেরা বিক্রি করা হয় না। প্রতিদিন বা সাপ্তাহিক হিসেবে ভাড়া দেওয়া হয়। ভারতের মধ্যে পাঠানই প্রথম ছবি যা আইম্যাক্স দ্বারা শুট করা হয়েছে। এর আগে ভারতীয় অন্য কোন মুভিতে এই ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়নি এর অত্যাধিক দামের কারণে।

যেহেতু আইম্যাক্স ক্যামেরা বিক্রি করা হয় না তাই এর দামও জানায়নি কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। তবে এই ক্যামেরার ইন্সুরেন্স খরচা থেকে হিসাব করা যেতে পারে এই ক্যামেরার দাম। এই ক্যামেরার একবার ইন্সুরেন্স করাতে পাঁচ কোটি টাকা প্রয়োজন হয়। তাহলে বুঝতে পারছেন এই ক্যামেরার দাম কত হতে পারে।

চলুন আইম্যাক্স ক্যামেরার সম্পর্কে আরো অবাক করা তথ্য জেনেনি আজকের এই ভিডিওতে। আইম্যাক্স মূলত দুই ধরনের হতে পারে। প্রথমত হচ্ছে আইম্যাক্স ক্যামেরা এবং দ্বিতীয়ত হচ্ছে imax সিনেমা হল। ভারতে বহু আইম্যাক্স সিনেমা হল থাকলেও কিন্তু কোন আইম্যাক্স ক্যামেরা নেই। ইউরোপিয়ান কান্ট্রি থেকে এই ক্যামেরা ভাড়া করে নিয়ে আসা হয় ভারতে। আর পাঠানের শুটিং করার জন্য এবার প্রথম ভারতে আনা হলো আইম্যাক্স ক্যামেরা।

যেখানে নরমাল ক্যামেরা 4k থেকে 8k কে তে শুটিং করে। সেখানে আইম্যাক্স ক্যামেরা এইটটিন কেতে শুটিং করে। তাহলে বুঝতে পারছেন ছবির কোয়ালিটি কতটা সুন্দর হবে।যেখানে অন্যান্য ক্যামেরার ওজন ১৫ থেকে ২০ কেজির মধ্যে হয়ে থাকে সেখানে আইম্যাক্স ক্যামেরার ওজন হয়ে থাকে ১১০ কেজির ওপরে। এই ক্যামেরা সামলানোর জন্য ক্রেন অথবা বেশ কয়েকজন মানুষ এর প্রয়োজন হয়।

আপনি যদি একবার আইম্যাক্স ক্যামেরয় শুটিং করা কোন মুভি আইম্যাক্স সিনেমা হলে বসে দেখেন তাহলে আপনার অনুভব হবে সত্যিকারেই আপনার সামনে সব ঘটনাগুলো ঘটছে। আপনি মনে করবেন আপনি মুভির মধ্যে নিজেই ঢুকে গিয়েছেন। আইম্যাক্স সিনেমা হলে মুভি দেখার পর আর কখনোই নরমাল সিনেমা হলে মুভি দেখতে চাইবেন না।

আইম্যাক্স এর অ্যাঁসপেক্ট রেশিও হল 1.43:1, অর্থাৎ আইম্যাক্স ক্যামেরা দিয়ে ওয়াইড অ্যাঙ্গেলের শুটিং করা হয়। আর যখন সিনেমা হলে চালানো হয়। তখন এটাকে দেখতে অনেকটা চৌকো আকৃতির মনে হয়। আইমেক্স ক্যামেরায় 70mm-এ শুটিং করা হয়।আইম্যাক্স ক্যামেরা দ্বারা শুটিং হয়েছে কিছু হলিউড মুভি হচ্ছে অ্যাপোলো 13, যা ১৯৯৫ সালের রিলিজ হয়েছিল। এরপর হচ্ছে হাবল, মিশন ইম্পসিবল, স্টার ওয়াটস, অ্যাভেঞ্জার ইত্যাদি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *